শমিত সিনহা : ৯৬ রানে হারিয়ে তৃতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এল ভারতের ঘরে।
২০২৪-এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫-এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর ২০২৬-এ ভারতের ঘরে আবার এল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৪-এর মতো আবার বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ১১ বছরের ট্রফিখরা কাটিয়ে রোহিত শর্মারা বিশ্বজয়ী করেছিলেন ভারতকে। তারপর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। আর সূর্যকুমার যাদবদের হাত ধরে ফের এল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর এই জয়ে বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাসে দেশবাসী।
টসে জিতে নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় ভারতকে। তার পরই শুরু হয় ব্যাটিং তাণ্ডব, ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মার জুটি ৯২ রান করে। এই ম্যাচে ভারত যে গতিতে রান করা শুরু করে তাতে রান ৩০০ হবে বলে আশা করেছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু ইনিংস শেষ হয় ২৫৫ রান। ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ৪৬ বলে করেন ৮৯, অন্য ওপেনার অভিষেক শর্মা ২১ বলে করেন ৫২।কিউয়িরা থেমে গেল ১৫৯ রানে। ১৯ ওভার পর্যন্ত টিকে ছিল ব্ল্যাক ক্যাপসদের যাবতীয় প্রতিরোধ। সেইফার্ট (৫২) ও স্যান্টনার (৪৩) কিছুটা লড়লেন। ভারত ৯৬ রানে ফাইনাল জিতে নিল। জশপ্রীত বুমরাহ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে চার-চারটি উইকেট নিলেন। অক্ষর প্যাটেল নিলেন তিন-তিনটি উইকেট। স্যামসন ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিন বার জয়ের গৌরব একমাত্র ভারতের। এটি আমাদের ক্রিকেটপ্রেমী জনগণের জন্য অপরিসীম আনন্দ এবং গর্বের বিষয়। এটি আমাদের তরুণ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের সমৃদ্ধ প্রতিভা তুলে ধরার নিদর্শন। এই জয়ের জন্য প্রতিটি খেলোয়াড়, পুরো ব্যবস্থাপনা এবং সহায়তা কর্মীরা সর্বোচ্চ প্রশংসার দাবিদার। আমি আশা করি আমাদের ক্রিকেট দল ভবিষ্যতেও গৌরব বজায় রাখবে।’
ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ বুমরাহর, প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট – সঞ্জু