স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা সমস্ত রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে এবার বিনামূল্যে সার্জারি

কলকাতা/চেন্নাই: বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক প্রচারের পারদ ততই চড়ছে। দুই রাজ্যেই এখন শুধুই স্লোগান, জনসভা এবং রোড শো-র কোলাহল। দিল্লির হেভিওয়েট নেতারা এখন ঘাঁটি গেড়েছেন কলকাতা এবং চেন্নাইতে।
পশ্চিমবঙ্গে ডবল ইঞ্জিনের লড়াই: পশ্চিমবঙ্গে লড়াইটা মূলত তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুইলচেয়ারে করেই চষে বেড়াচ্ছেন রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। তাঁর মূল স্লোগান, “বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়”। অন্যদিকে, বিজেপি তাদের সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একের পর এক জনসভা করছেন। সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিয়ে তারা ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’-এর দাবি তুলছেন। বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটও তাদের অস্তিত্ব রক্ষায় মরিয়া হয়ে প্রচার চালাচ্ছে। রোড শো-তে মানুষের ঢল এবং জনসভাগুলোতে ভিড় বুঝিয়ে দিচ্ছে, এই নির্বাচন বাংলার ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় হতে চলেছে।
তামিলনাড়ুতে উত্তরাধিকারের যুদ্ধ: দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ুতেও চিত্রটা একই। এখানে মূল লড়াই ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মধ্যে। ডিএমকে প্রধান এম কে স্টালিন তাঁর বাবা করুণানিধির উত্তরাধিকার পুনরুদ্ধারে কোমর বেঁধে নেমেছেন। ‘দ্রাবিড়ীয় আত্মসম্মান’-এর কথা বলে তিনি মানুষের কাছে ভোট চাইছেন। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন এআইএডিএমকে দল প্রধানমন্ত্রী মোদীর ছবি ব্যবহার করে তাদের আসন ধরে রাখার চেষ্টা করছে। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া কমল হাসান তাঁর দল এমএনএম-কে নিয়ে তৃতীয় বিকল্প হিসেবে সামনে আসছেন। সিনেমার পর্দার মতো তামিলনাড়ুর রাজনীতির ময়দানও এখন উত্তেজনাপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু— দুই রাজ্যেই এখন উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। ভোটারদের মন জয়ে কোনো দলই কোনো সুযোগ ছাড়তে রাজি নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *