তপ্ত রোদে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ: বর্তমানে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে চলছে তীব্র দাপদাহ। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, পানাগড়, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। কলকাতাতেও পারদ ৩৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে জারি করা হয়েছে ‘লু’ (Heatwave) সতর্কবার্তা। ভ্যাপসা গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি নেই।
ভাইরাল বৃষ্টির পূর্বাভাস: গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে এবং হোয়াটসঅ্যাপে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন পোস্ট ভাইরাল হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই ধেয়ে আসছে মরসুমের প্রথম বড় কালবৈশাখী। নেটিজেনরা বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছেন—কেউ মেঘের ছবি দিচ্ছেন, আবার কেউ পুরনো বৃষ্টির ভিডিও শেয়ার করে বৃষ্টির প্রার্থনা করছেন। আবহাওয়া দফতরের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গ্রুপে দাবি করা হচ্ছে, ২০ থেকে ২৩ এপ্রিলের মধ্যে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দফতরের আসল খবর: হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি চললেও দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে আপাতত বড় কোনো স্বস্তির খবর নেই। তবে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে (২০ এপ্রিলের পর) বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির কিছুটা সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বর্তমানে একটি ঘূর্ণাবর্ত বাংলাদেশের ওপর অবস্থান করছে, যার ফলে জলীয় বাষ্পের প্রবেশ বাড়ছে। এর ফলে কোথাও কোথাও বিকেলের দিকে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে, যা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে।
পরিশেষে বলা যায়, বৃষ্টির অপেক্ষায় চাতক পাখির মতো চেয়ে আছে আপামর বাঙালি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল আপডেট—সব মিলিয়ে এখন বৃষ্টির প্রত্যাশাই বাংলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
সতর্কতা: তীব্র গরমে রোদে বেরোনোর সময় ছাতা ও রোদচশমা ব্যবহার করুন এবং শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত জল পান করুন। কোনো প্রকার ভুয়া গুজবে কান না দিয়ে সরকারি আবহাওয়া দপ্তরের আপডেটে নজর রাখুন।