উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিবরণ: কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) মধ্য কলকাতার রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ এবং এর আগে স্ট্র্যান্ড রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে। পুলিশি অভিযানে সিঙ্গেল শট আগ্নেয়াস্ত্র, ৫টি আধুনিক পিস্তল এবং প্রচুর পরিমাণে জীবন্ত কার্তুজ জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ ইউসুফ সহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
রাজনৈতিক উত্তাপ: নির্বাচনের ঠিক আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি।
- বিরোধী শিবিরের আক্রমণ: বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোটের দাবি, শাসক দল নির্বাচনের সময় সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য ভিন রাজ্য থেকে অস্ত্র আনিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেও কীভাবে শহরে অস্ত্র ঢুকছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।
- শাসক দলের পাল্টা দাবি: তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশের কড়া নজরদারির ফলেই এই অস্ত্র ধরা পড়ছে। তারা পাল্টা অভিযোগ করে বলেছে, বাইরে থেকে গোলমাল পাকানোর চেষ্টায় বিরোধীরাই এই কারসাজি করছে।
নিরাপত্তা ও নজরদারি: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শহর জুড়ে নাকা চেকিং ও তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। শুধুমাত্র অস্ত্র নয়, বালিগঞ্জ এবং হাওড়া এলাকা থেকেও লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, বড় কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা নির্বাচনের সময় বুথ দখলের উদ্দেশ্যেই এই অস্ত্র মজুত করা হচ্ছিল।
সামগ্রিকভাবে, ভোটের আগে এই অস্ত্র উদ্ধার সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ালেও, পুলিশের তৎপরতা আশার আলো দেখাচ্ছে।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিবরণ: কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) মধ্য কলকাতার রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ এবং এর আগে স্ট্র্যান্ড রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে। পুলিশি অভিযানে সিঙ্গেল শট আগ্নেয়াস্ত্র, ৫টি আধুনিক পিস্তল এবং প্রচুর পরিমাণে জীবন্ত কার্তুজ জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ ইউসুফ সহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
রাজনৈতিক উত্তাপ: নির্বাচনের ঠিক আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি।
- বিরোধী শিবিরের আক্রমণ: বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোটের দাবি, শাসক দল নির্বাচনের সময় সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য ভিন রাজ্য থেকে অস্ত্র আনিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেও কীভাবে শহরে অস্ত্র ঢুকছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।
- শাসক দলের পাল্টা দাবি: তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশের কড়া নজরদারির ফলেই এই অস্ত্র ধরা পড়ছে। তারা পাল্টা অভিযোগ করে বলেছে, বাইরে থেকে গোলমাল পাকানোর চেষ্টায় বিরোধীরাই এই কারসাজি করছে।
নিরাপত্তা ও নজরদারি: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শহর জুড়ে নাকা চেকিং ও তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। শুধুমাত্র অস্ত্র নয়, বালিগঞ্জ এবং হাওড়া এলাকা থেকেও লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, বড় কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা নির্বাচনের সময় বুথ দখলের উদ্দেশ্যেই এই অস্ত্র মজুত করা হচ্ছিল।
সামগ্রিকভাবে, ভোটের আগে এই অস্ত্র উদ্ধার সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ালেও, পুলিশের তৎপরতা আশার আলো দেখাচ্ছে।