আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হওয়ার আগেই বিশ্ব ক্রিকেটে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে বহুল প্রতীক্ষিত হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি বয়কটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। মূলত আইসিসি কর্তৃক বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে এবং ঢাকার প্রতি সংহতি জানাতেই ইসলামাবাদের এই কঠোর অবস্থান।
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে অনীহা প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তারা টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়। তবে আইসিসি সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে সেখানে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তের একমাত্র প্রতিবাদকারী দেশ ছিল পাকিস্তান।
রবিবার রাতে পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে জানানো হয় যে, পাকিস্তান দল বিশ্বকাপে অংশ নেবে এবং শ্রীলঙ্কায় ভ্রমণ করবে, তবে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মাঠে নামবে না।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাখভি জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া অন্যায় এবং এর প্রতিবাদ হওয়া জরুরি। অন্যদিকে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ‘বেছে বেছে’ ম্যাচ খেলা টুর্নামেন্টের সংহতি নষ্ট করে। এই ম্যাচটি না খেললে পাকিস্তান মূল্যবান পয়েন্ট হারাবে, যা তাদের সেমিফাইনালের পথ কঠিন করে তুলবে।