গৌতম মুখোপাধ্যায় : এবার SiR এর কারনে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে উদ্যোত হলেন এক BLO,
SIR-এর মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপ। আর সেই চাপ থেকে ‘মুক্তি’ পেতেই আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। রীতিমত মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন মহম্মদ কায়ামুদ্দিন নামে ওই ব্যক্তি। তবে বরাতজোরে রক্ষা পান তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফেরিঘাটের কিছু ব্যক্তি তাঁকে জল থেকে উদ্ধার করে বলে জানা যায়। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যাওয়ার পরও আতঙ্কের রেশ কাটেনি তাঁর। গোটা ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন BLO-র পরিবারও।
জানা যাচ্ছে, মহম্মদ কায়ামুদ্দিন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার টিটাগড়ের বাসিন্দা। পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক তিনি। সেই সূত্রেই SIR শুরু হওয়ার পর থেকে এলাকার BLO হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সময়ের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ করতে না পেরে যথেষ্ট চিন্তার মধ্যে ছিলেন তিনি। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির উপর তাঁর রাশ না থাকায় আরও সমস্যায় পড়েছিলেন কায়ামুদ্দিন। এরপরেই আজ, শনিবার টিটাগড় থেকে শ্রীরামপুরের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিল একটি ব্যাগ। ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে ওঠেন। কিন্তু লঞ্চ মাঝ নদীতে আসতেই গঙ্গায় ঝাঁপ দেন তিনি। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় বাকি যাত্রীদের মধ্যে।
তড়িঘড়ি তাঁকে বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দেন ফেরির কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত কিছুক্ষনের চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়। তবে প্রাণে বাঁচলেও যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তিনি। পাশাপাশি SIR-এর কাজ শেষ না হওয়া নিয়েও এদিন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই BLO। এই বিষয়ে মহম্মদ কায়ামুদ্দিন নিজেই জানিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার চাপ আর তিনি নিতে পারছেন না। আজকেই ফর্ম জমা দেওয়ায় শেষ তারিখ, কিন্তু তা সত্ত্বেও অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। তাঁর কথায়, ‘এখনও কাজ শেষ করতে পারিনি। ভোটারদের কী জবাব দেব, সেই আত্মগ্লানি থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ এদিন তাঁকে উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় পরিবারেও। বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর এই BLO কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে হাসপাতাল থেকে বেড়িয়ে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি, তার এক আত্মীয়
নির্বাচন কমিশনের ওপর একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন যা কিছু হচ্ছে গ্যানেশ কুমারের জন্য হচ্ছে।এর জন্য তিনিই দায়ী।