আকাশপথে ফের একবার ভারতের সামরিক শক্তির মহড়া নিলেন রাষ্ট্রপতি তথা সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দ্রৌপদী মুর্মু। সুখোই-৩০ এমকেআই এবং রাফাল যুদ্ধবিমানের পর এবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH) ‘প্রচণ্ড’-তে উড়লেন তিনি। শুক্রবার ভারত-পাক সীমান্ত সংলগ্ন রাজস্থানের জৈসলমের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল দেশ।
শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি জৈসলমের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পৌঁছলে তাঁকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এরপর যুদ্ধপোশাকে সজ্জিত হয়ে তিনি হ্যাল (HAL) নির্মিত অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’-র ককপিটে বসেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে আকাশপথে এই কপ্টারের রণকৌশল ও ক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই কপ্টারে সওয়ার হয়ে তিনি এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন।
এটি হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) দ্বারা তৈরি। বিশ্বের একমাত্র অ্যাটাক হেলিকপ্টার যা ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় (সিয়াচেন গ্লেসিয়ারের মতো এলাকায়) ল্যান্ডিং এবং টেক-অফ করতে সক্ষম। এটি আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে ভূমিতে লক্ষ্যভেদে অত্যন্ত পারদর্শী।
রাষ্ট্রপতির এই সফর কেবল বায়ুসেনার মনোবলই বাড়াল না, বরং বিশ্বের দরবারে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের শক্তিশালি অবস্থানকেও তুলে ধরল।